যদি প্রশ্ন করা হয় এ লৌকিক জগতে অলৌকিক এমন কোন বিস্ময়কর বস্তু আছে, যার চিরস্থায়ী সংরক্ষণের দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহতাআলা গ্রহণ করেছেন? তাহলে এক কথায় এর সহজ সরল সঠিক উত্তর হবে, ‘আল কোরআন’। আল কোরআন আল্লাহতাআলার মুখ নিঃসৃত বাণী। পাক কালাম। এটি এমন এক কামিল কিতাব যাতে কোনো প্রকার সন্দেহ, ভুল-ভ্রান্তি নেই। আর এ মুত্তাকিদের জন্য একমাত্র পথনির্দেশক (২ঃ২)। কোরআনের সাক্ষ্য অনুযায়ী কোরআনের বিশুদ্ধতা এবং শ্রেষ্ঠত্বের এটাই প্রথম প্রমাণ।
এই কিতাবের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু মুসলমানরাই জেনে থাকবেন না
বরং অন্যান্য অমুসলিম বিশেষ করে বিজ্ঞানীরা, এই কিতাবের নিদারুণ গুপ্তরহস্য ও তথ্য
সংগ্রহ করে বিশ্বকে বিস্মায়িত করছে। এখন কথা হচ্ছে, কোরআন শরিফই একমাত্র শ্রেষ্ঠ কিতাব
যার কারণে পরম যতœ করে এটাকে শিখে নেওয়া সবার আবশ্যক কর্তব্য। অন্য সব জাগতিক জ্ঞান
অর্জনের আগে যদি কেউ কোরআন পাঠ করে তখন সে দেখবে তার এই জাগতিক জ্ঞান কোরআনের
অংশ। কোরআন শেখা ও প্রতিদিনের পাঠের মাধ্যমে এর আদেশ-নিষেধ অবগত হয়ে এর শিক্ষাকে বাস্তব
জীবনে কাজে লাগানোই মূল কাজ।
আমরা জানি মহানবী (সা.)-এর যুগে সাহাবিরা অনেক বেশি কোরআন পাঠ করতেন। গভীর রাতে তাদের ঘর থেকে তেলাওয়াতের গুনগুন রব উত্থিত হতো। মহানবী (সা.) রাতের অন্ধকারে তাদের গৃহপার্শ্বে গিয়ে তাদের তিলাওয়াত শ্রবণ করতেন। কোরআন মজিদ মনোযোগ সহকারে পড়ার ব্যাপারে মহানবী (সা.) বলেন, ‘সে আমাদের দলে নয়, যে সুর করে কোরআন পড়ে না’ (বোখারি)। কোরআন পাঠের ফজিলত সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেন, ‘কোরআন পাঠ করো, কেননা বিচার দিবসে এটি পাঠকের শাফায়াতকারী হবে’ (মুসলিম)। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কোরআন শিক্ষা দেওয়ার জন্য সাহাবিদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠাতেন। হিজরতের আগে তিনি হজরত মুসআব ইবনে উমাইয়ার (রা.) এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাফতুম (রা.)-কে কোরআন শিক্ষা দেওয়ার জন্য মদিনায় পাঠান। তিনি (সা.) নিঃস্বার্থভাবে কোরআনের শিক্ষা প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন।
তাই আমাদের নিজেরা কোরআন পাঠের পাশাপাশি নিজ পরিবার ও অন্য নিকটতমদের কোরআন শেখাতে হবে। যাতে করে এই পবিত্র কিতাবের পাঠকারী বৃদ্ধি পায় এবং প্রকৃত শিক্ষার বিস্তার ঘটে। কোরআনের প্রতিটি অক্ষর পাঠ করার জন্য আলাদা আলাদা নেকির গণনা রয়েছে। আর কোরআনের শিক্ষকদের মর্যাদা অন্য সব জাগতিক শিক্ষকদের ঊর্ধ্বে। তাই ছোট-বড় সবাই নির্বিশেষে নিজেরা কোরআন শিখতে হবে ও অন্যদের শেখাতে হবে।
আসুন অবাধ্যতার, নৈরাজ্যতার, অশ্লীলতার আর হত্যার অধ্যায় শেষ করতে পবিত্র কোরআন নিয়মিত পাঠ করি ও কোরআনের অর্থ বুঝতে চেষ্টা করি এবং আল্লাহপাক আমাদের কী বোঝাতে চাচ্ছেন তা বুঝে সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করি। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে কোরআন বোঝার ও পাঠ করার তৌফিক দান করুন, আমিন।
আমরা জানি মহানবী (সা.)-এর যুগে সাহাবিরা অনেক বেশি কোরআন পাঠ করতেন। গভীর রাতে তাদের ঘর থেকে তেলাওয়াতের গুনগুন রব উত্থিত হতো। মহানবী (সা.) রাতের অন্ধকারে তাদের গৃহপার্শ্বে গিয়ে তাদের তিলাওয়াত শ্রবণ করতেন। কোরআন মজিদ মনোযোগ সহকারে পড়ার ব্যাপারে মহানবী (সা.) বলেন, ‘সে আমাদের দলে নয়, যে সুর করে কোরআন পড়ে না’ (বোখারি)। কোরআন পাঠের ফজিলত সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেন, ‘কোরআন পাঠ করো, কেননা বিচার দিবসে এটি পাঠকের শাফায়াতকারী হবে’ (মুসলিম)। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কোরআন শিক্ষা দেওয়ার জন্য সাহাবিদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠাতেন। হিজরতের আগে তিনি হজরত মুসআব ইবনে উমাইয়ার (রা.) এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাফতুম (রা.)-কে কোরআন শিক্ষা দেওয়ার জন্য মদিনায় পাঠান। তিনি (সা.) নিঃস্বার্থভাবে কোরআনের শিক্ষা প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন।
তাই আমাদের নিজেরা কোরআন পাঠের পাশাপাশি নিজ পরিবার ও অন্য নিকটতমদের কোরআন শেখাতে হবে। যাতে করে এই পবিত্র কিতাবের পাঠকারী বৃদ্ধি পায় এবং প্রকৃত শিক্ষার বিস্তার ঘটে। কোরআনের প্রতিটি অক্ষর পাঠ করার জন্য আলাদা আলাদা নেকির গণনা রয়েছে। আর কোরআনের শিক্ষকদের মর্যাদা অন্য সব জাগতিক শিক্ষকদের ঊর্ধ্বে। তাই ছোট-বড় সবাই নির্বিশেষে নিজেরা কোরআন শিখতে হবে ও অন্যদের শেখাতে হবে।
আসুন অবাধ্যতার, নৈরাজ্যতার, অশ্লীলতার আর হত্যার অধ্যায় শেষ করতে পবিত্র কোরআন নিয়মিত পাঠ করি ও কোরআনের অর্থ বুঝতে চেষ্টা করি এবং আল্লাহপাক আমাদের কী বোঝাতে চাচ্ছেন তা বুঝে সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করি। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে কোরআন বোঝার ও পাঠ করার তৌফিক দান করুন, আমিন।
No comments:
Post a Comment